পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাতায়াতের জন্য পাহাড়িকা এক্সপ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তনগর ট্রেন। এই ট্রেনে যাত্রা করলে ফেনী, কুমিল্লা, আখাউড়া, শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভ্রমণের আগে ট্রেনের ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময়, সাপ্তাহিক বন্ধ এবং আসনভিত্তিক ভাড়া জেনে রাখা জরুরি। এতে যাত্রার পরিকল্পনা করা সহজ হয় এবং টিকিট কেনার সময় বিভ্রান্তি কমে। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর, দুই দিকের সময়সূচী, স্টপেজ, টিকিটের মূল্য ও অনলাইনে টিকিট কেনার পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। তবে যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেবেন।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম–সিলেট রুটে চলাচলকারী একটি আন্তনগর ট্রেন। চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ট্রেনটির নম্বর ৭১৯ এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনটির নম্বর ৭২০। বাংলাদেশ রেলওয়ে সময়সূচী অনুযায়ী, ৭১৯ নম্বর ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে সিলেটে পৌঁছায়। অন্যদিকে ৭২০ নম্বর ট্রেনটি সিলেট থেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছায়। যাত্রাপথে ট্রেনটি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে বিরতি দেয়। ফলে এই রুটের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য ট্রেনটি বিবেচনা করা যায়।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের এক নজরে তথ্য
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| ট্রেনের নাম | পাহাড়িকা এক্সপ্রেস |
| চট্টগ্রাম থেকে সিলেট | ৭১৯ |
| সিলেট থেকে চট্টগ্রাম | ৭২০ |
| প্রধান রুট | চট্টগ্রাম–সিলেট–চট্টগ্রাম |
| চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ে | সকাল ৭:৫০ |
| সিলেটে পৌঁছায় | বিকেল ৩:৫৫ |
| সিলেট থেকে ছাড়ে | সকাল ১০:৩০ |
| চট্টগ্রামে পৌঁছায় | সন্ধ্যা ৬:৫৫ |
| চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের নির্ধারিত সময় | ৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট |
| সিলেট থেকে চট্টগ্রামের নির্ধারিত সময় | ৮ ঘণ্টা ২৫ মিনিট |
| আসনের ধরন | শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা ও এসি সিট |
| সাপ্তাহিক বন্ধ | ৭১৯: সোমবার, ৭২০: বুধবার |
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা থাকলে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট কিংবা সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাতায়াতের পরিকল্পনা সহজ হয়। ট্রেন নম্বর ৭১৯ চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে এবং নির্ধারিত স্টেশনগুলোতে বিরতি দিয়ে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে সিলেটে পৌঁছায়। ফিরতি ট্রেন নম্বর ৭২০ সিলেট থেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছানোর সময় দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে কয়েকটি স্টেশনে বিরতি মাত্র দুই থেকে তিন মিনিট। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে উপস্থিত থাকা ভালো। ট্রেনের সময়সূচী পরিবর্তিত হতে পারে বলে যাত্রার আগে টিকিটের তথ্য মিলিয়ে নিন।
চট্টগ্রাম টু সিলেট পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সময়সূচী
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭১৯। ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যায়। এরপর সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে ফেনী স্টেশনে পৌঁছে দুই মিনিট বিরতি দিয়ে আবার যাত্রা শুরু করে। নাঙ্গলকোট, লাকসাম, কুমিল্লা, কসবা ও আখাউড়া স্টেশনে বিরতির পর ট্রেনটি হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশন অতিক্রম করে। শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমশেরনগর, কুলাউড়া, বরমচাল ও মাইজগাঁও হয়ে ট্রেনটি সিলেটে পৌঁছায়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সিলেটে পৌঁছানোর সময় বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিট।
| স্টেশনের নাম | পৌঁছানোর সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|
| চট্টগ্রাম | — | সকাল ৭:৫০ |
| ফেনী | সকাল ৯:১৪ | সকাল ৯:১৬ |
| নাঙ্গলকোট | সকাল ৯:৪৩ | সকাল ৯:৪৫ |
| লাকসাম | সকাল ১০:০০ | সকাল ১০:০৩ |
| কুমিল্লা | সকাল ১০:২৬ | সকাল ১০:২৮ |
| কসবা | সকাল ১০:৫৮ | সকাল ১১:০০ |
| আখাউড়া | সকাল ১১:৩০ | সকাল ১১:৩৫ |
| হরষপুর | দুপুর ১২:০৫ | দুপুর ১২:০৭ |
| নয়াপাড়া | দুপুর ১২:২৮ | দুপুর ১২:৩০ |
| শায়েস্তাগঞ্জ | দুপুর ১২:৫০ | দুপুর ১২:৫৩ |
| শ্রীমঙ্গল | দুপুর ১:৩০ | দুপুর ১:৩৫ |
| ভানুগাছ | দুপুর ১:৫৫ | দুপুর ১:৫৭ |
| শমশেরনগর | দুপুর ২:০৬ | দুপুর ২:০৮ |
| কুলাউড়া | দুপুর ২:৩২ | দুপুর ২:৩৫ |
| বরমচাল | দুপুর ২:৪৮ | দুপুর ২:৫০ |
| মাইজগাঁও | বিকেল ৩:০৪ | বিকেল ৩:০৬ |
| সিলেট | বিকেল ৩:৫৫ | — |
সিলেট টু চট্টগ্রাম পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সময়সূচী
সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭২০। ট্রেনটি সিলেট স্টেশন থেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যায়। এরপর মাইজগাঁও ও কুলাউড়া স্টেশনে বিরতি দিয়ে শমশেরনগর, ভানুগাছ ও শ্রীমঙ্গল অতিক্রম করে। পরবর্তী সময়ে শায়েস্তাগঞ্জ, নয়াপাড়া, হরষপুর ও আখাউড়া স্টেশনে থামে। কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশন অতিক্রম করে ট্রেনটি চট্টগ্রামের দিকে এগিয়ে যায়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়।
| স্টেশনের নাম | পৌঁছানোর সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|
| সিলেট | — | সকাল ১০:৩০ |
| মাইজগাঁও | সকাল ১১:০৯ | সকাল ১১:১১ |
| কুলাউড়া | সকাল ১১:৫৫ | সকাল ১১:৫৮ |
| শমশেরনগর | দুপুর ১২:২১ | দুপুর ১২:২৩ |
| ভানুগাছ | দুপুর ১২:৩২ | দুপুর ১২:৩৪ |
| শ্রীমঙ্গল | দুপুর ১২:৫৭ | দুপুর ১:০২ |
| শায়েস্তাগঞ্জ | দুপুর ১:৫৪ | দুপুর ১:৫৭ |
| নয়াপাড়া | দুপুর ২:১৭ | দুপুর ২:১৯ |
| হরষপুর | দুপুর ২:৩৯ | দুপুর ২:৪১ |
| আখাউড়া | বিকেল ৩:২০ | বিকেল ৩:২৫ |
| কসবা | বিকেল ৩:৪১ | বিকেল ৩:৪৩ |
| কুমিল্লা | বিকেল ৪:১৩ | বিকেল ৪:১৫ |
| লাকসাম | বিকেল ৪:৩৮ | বিকেল ৪:৪০ |
| নাঙ্গলকোট | বিকেল ৪:৫৫ | বিকেল ৪:৫৭ |
| ফেনী | বিকেল ৫:২৪ | বিকেল ৫:২৬ |
| চট্টগ্রাম | সন্ধ্যা ৬:৫৫ | — |
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সময়সূচী অনুসরণ করে যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তবে টিকিট কাটার আগে গন্তব্য স্টেশন, আসনের শ্রেণি ও ট্রেনের চলাচলের দিন নিশ্চিত করুন। দীর্ঘ যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে রাখা এবং স্টেশনে আগেভাগে পৌঁছানো ভালো অভ্যাস।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের দুই দিকের ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন আলাদা। বাংলাদেশ রেলওয়ে অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ৭১৯ নম্বর ট্রেনটি সোমবার চলাচল করে না। অন্যদিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ৭২০ নম্বর ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। তাই যাত্রার তারিখ নির্ধারণের আগে কোন দিক থেকে ভ্রমণ করবেন, সেটি বিবেচনা করা জরুরি। বন্ধের দিনে বিকল্প ট্রেনের সময়সূচী যাচাই করে টিকিট কাটুন। বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী সাপ্তাহিক বন্ধ পরিবর্তিত হলে সেটিও নিশ্চিত করে নেবেন।
| ট্রেন নম্বর | রুট | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|
| ৭১৯ | চট্টগ্রাম থেকে সিলেট | সোমবার |
| ৭২০ | সিলেট থেকে চট্টগ্রাম | বুধবার |
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া আসনের শ্রেণি অনুযায়ী আলাদা। শোভন চেয়ারের ভাড়া ৪৭৫ টাকা, স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া ৯০৯ টাকা এবং এসি সিটের ভাড়া ১,০৮৭ টাকা। স্নিগ্ধা ও এসি সিটের উল্লেখিত ভাড়ায় ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিকিট কাউন্টার ও অনলাইন—দুই মাধ্যমেই টিকিট পাওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট তারিখে আসন খালি থাকা এবং চূড়ান্ত ভাড়া বুকিংয়ের সময় যাচাই করা জরুরি। টিকিট কেনার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিটিং ব্যবস্থায় ভাড়া মিলিয়ে নিন।
| আসনের শ্রেণি | টিকিটের মূল্য |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৪৭৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ৯০৯ টাকা |
| এসি সিট | ১,০৮৭ টাকা |
শোভন চেয়ারের ভাড়া
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ার তুলনামূলক কম খরচে ভ্রমণের একটি বিকল্প।এই শ্রেণির টিকিটের মূল্য ৪৭৫ টাকা। যারা বাজেটের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট অথবা সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাতায়াত করতে চান, তারা এই আসন বিবেচনা করতে পারেন। টিকিট কাটার সময় যাত্রার তারিখ, গন্তব্য ও আসনের শ্রেণি ভালোভাবে যাচাই করুন। ভাড়া পরিবর্তিত হলে বুকিংয়ের সময় প্রদর্শিত মূল্যই অনুসরণ করবেন।
স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া
স্নিগ্ধা শ্রেণি তুলনামূলক আরামদায়ক আসনের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের স্নিগ্ধা শ্রেণির টিকিটের মূল্য ৯০৯ টাকা, যার মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত। যারা সাধারণ চেয়ারের পরিবর্তে উন্নত আসনের সুবিধা চান, তারা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে এই শ্রেণি বেছে নিতে পারেন। টিকিট কেনার আগে ভাড়া ও আসনের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা উচিত। যাত্রার সময় টিকিটে উল্লেখিত কোচ ও আসনের তথ্য মিলিয়ে নিন।
এসি সিটের ভাড়া
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের এসি সিট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য একটি বিকল্প। এসি সিটের টিকিটের মূল্য ১,০৮৭ টাকা, যার মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত। এই শ্রেণিতে টিকিট কেনার আগে নির্দিষ্ট ট্রেনে আসন পাওয়া যাচ্ছে কি না যাচাই করুন। বুকিংয়ের সময় চূড়ান্ত ভাড়া ও টিকিটের শর্ত ভালোভাবে পড়ে নেওয়া উচিত।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কেনার নিয়ম
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের টিকিট অনলাইনে অথবা রেলওয়ে স্টেশনের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে কেনা যায়। অনলাইনে টিকিট কাটার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।
টিকিট কেনার সাধারণ ধাপগুলো হলো:
১. বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. যাত্রার শুরু ও গন্তব্য স্টেশন নির্বাচন করুন।
৩. ভ্রমণের তারিখ এবং যাত্রীর সংখ্যা নির্ধারণ করুন।
৪. উপলভ্য ট্রেনের তালিকা থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস নির্বাচন করুন।
৫. আসনের শ্রেণি ও টিকিটের মূল্য যাচাই করুন।
৬. যাত্রীর প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বুকিং সম্পন্ন করুন।
৭. পেমেন্ট শেষ হলে ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: https://eticket.railway.gov.bd/
টিকিট কেনার আগে ট্রেন নম্বর, যাত্রার তারিখ, গন্তব্য এবং আসনের শ্রেণি আবার যাচাই করুন। যাত্রার দিন টিকিটে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে ভ্রমণের আগে করণীয়
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণের জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া ভালো। প্রথমেই টিকিটে উল্লেখ করা ট্রেন নম্বর ও যাত্রার তারিখ যাচাই করুন। ট্রেন ছাড়ার কিছু সময় আগে স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন, যাতে প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পেতে তাড়াহুড়া করতে না হয়। দীর্ঘ যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, মোবাইল চার্জার, পানি ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সঙ্গে রাখতে পারেন। নিজের আসন নম্বর ও কোচের তথ্য টিকিটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। পাশাপাশি ট্রেনের সময়সূচী পরিবর্তনের খবর থাকলে রেলওয়ের অফিসিয়াল মাধ্যম থেকে নিশ্চিত হয়ে যাত্রা করুন।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসা
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে কখন ছাড়ে?
৭১৯ নম্বর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সিলেট থেকে কখন ছাড়ে?
৭২০ নম্বর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সিলেট থেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার সময়।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যেতে কত সময় লাগে?
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট পৌঁছাতে প্রায় ৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট সময় লাগে।
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যেতে কত সময় লাগে?
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যেতে প্রায় ৮ ঘণ্টা ২৫ মিনিট সময় লাগে।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ কোন দিন?
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ৭১৯ নম্বর ট্রেনের বন্ধ সোমবার এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ৭২০ নম্বর ট্রেনের বন্ধ বুধবার।
উপসংহার
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ জানা থাকলে চট্টগ্রাম–সিলেট রুটে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা সহজ হয়। চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ৭১৯ নম্বর ট্রেন এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ৭২০ নম্বর ট্রেনের ছাড়ার সময়, স্টপেজ ও সাপ্তাহিক বন্ধ আগে থেকেই জেনে রাখুন। শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা ও এসি সিটের মধ্যে নিজের বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী আসন নির্বাচন করতে পারেন। তবে যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল উৎস থেকে সময়সূচী, ভাড়া এবং টিকিটের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন। আগেভাগে টিকিট বুকিং ও সঠিক পরিকল্পনা আপনার যাত্রাকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সাহায্য করবে।







